শুক্রবার ২১ জুলাই, ২০১৭
deutschenews24.de
Ajker Deal

মন্ত্রিসভাকে ‘মিনি ক্যান্টনমেন্ট’ বানাচ্ছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ শনিবার, ০৩:৫০  এএম

মন্ত্রিসভাকে ‘মিনি ক্যান্টনমেন্ট’  বানাচ্ছেন ট্রাম্প

বন, ডিসেম্বর ০৯ (ডয়েচেনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটডিই) -- বিস্ফোরক ও বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে গণমাধ্যমে বারবার নেতিবাচক শিরোনাম ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সারা বিশ্বের সুশীলদের চোখে ভিলেন হলেও পাশার দান উল্টে দিয়ে মার্কিন নির্বাচনে  তাকেই হিরো বানিয়েছেন রক্ষণশীল স্বভাবের মার্কিনিরা। নব নির্বাচিত এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিতর্কিত সব কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন ক্ষমতা গ্রহণের আগ মুহূর্তেও। বিশেষ করে মন্ত্রিসভা গঠন করতে গিয়ে সেটাকে মিনি ক্যান্টনমেন্টই বানিয়ে ছাড়ছেন তিনি।

এখন পর্যন্ত যে খবর তাতে ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার ছোট্ট তালিকায় এরই মধ্যে স্থান পেয়েছেন তিন জন সাবেক জেনারেল। আর তারা বসছেন সব গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মন্ত্রিসভায় সামরিক প্রভাব  যে বাড়বে তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের সঙ্গে যেমন বেমানান তেমনি বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ বিগ্রহে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি করে জড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। 

 

গত বুধবার ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা নির্বাচনি অন্তর্বর্তী কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রধান) হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত মেরিন জেনারেল জন এফ. কেলি। এ সিদ্ধান্ত হইচই ফেলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। কারণ এর আগেই আরও দুই জন সাবেক জেনারেল জেমস ম্যাটিস ও মাইকেল ফ্লিনকে  মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। আর তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেরিন জেনারেল জেমস ম্যাটিস আর মন্ত্রীতুল্য পদ হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিন। ফলে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছেন সামরিক কর্মকর্তারা এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজনদের যা ইঙ্গিত তাতে হয়তো আরও একাধিক সদ্য উর্দি খোলা সামরিক অফিসারকে দেখা যেতে পারে তার মন্ত্রিসভায়। 

 

এদিকে ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়াকে যেমন মেনে নিতে পারেনি বিপুল সংখ্যক মার্কিন নাগরিক তেমনি তার এভাবে মন্ত্রিসভা সাজানোতেও খোদ যুক্তরাষ্ট্রে ভীষণভাবে শুরু হয়েছে সমালোচনা। অবশ্য, নির্বাচনের সময় তার বিরোধী প্রচারণা করায় পরোক্ষভাবে থ্রেট খেয়ে গণমাধ্যমগুলোতে এ সমালোচনা আসছে সীমিত ও কৌশলী পরিবেশনায়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ফেসবুক সয়লাব ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে এমন অদ্ভুতুড়ে সিদ্ধান্তে। সবার সাফ কথা, এমন সিদ্ধান্তে প্রশাসনে বেড়ে যেতে পারে সামরিক প্রভাব, যার রেশ পড়বে রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে।

 

এদিকে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজনরা যে ইঙ্গিত দিচ্ছেন তাতে বলা হচ্ছে, মার্কিনিদের সমালোচনাকে থোড়াই কেয়ার করে মন্ত্রিসভায় আরও কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে জায়গা দিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ডেভিড এইচ. পেট্রিয়াস,  ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের দায়িত্বে নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল মাইকেল এস. রজার্স।

 

গায়ে সামরিক বাহিনীর গন্ধ আছে এমন দুজন মাইক পম্পি ও স্টিফেন কে ব্যাননও ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টার পদ মর্যাদা পেতে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে কংগ্রেস প্রতিনিধি মাইক পম্পি পাচ্ছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর পরিচালকের পদ। এই পম্পি উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং পড়াশোনা করেছেন মার্কিন সামরিক অ্যাকাডেমি ওয়েস্ট পয়েন্ট থেকে। আর ট্রাম্পের প্রধান কৌশলবিদ ও শীর্ষ উপদেষ্টা হিসেবে আছেন আরেক সাবেক নৌবাহিনীর কর্মকর্তা স্টিফেন কে. ব্যানন।

 

কিন্তু, রিপাবলিক্যান নেতা হয়েও দলীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক বাহিনীর প্রতি এই পক্ষপাত কেন? অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা এর উত্তরে জানাচ্ছেন, সামরিক সদস্য না হলেও বাহিনীটির প্রতি ট্রাম্পের দুর্বলতা সেই শৈশব থেকেই। শৈশবে একটি সামরিক বোর্ডিং স্কুলে কয়েক বছর পড়াশোনা করেন তিনি। পরে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নিজেকে আর না জড়ালেও সৈনিক ও যুদ্ধের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব তার বরাবরই ছিল।

আবার, আরেক দল গণমাধ্যম কর্মীর অভিমত, নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে সেনাবাহিনীর সূক্ষ্ম সমর্থন ও সহযোগিতা পেয়েছেন ট্রাম্প।বিশেষ করে নির্বাচনের ঠিক আগে হিলারির ই-মেইল নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ জনমত জরিপে পিছিয়ে থাকা ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রদীপে নতুন সলতে জ্বালাতে সাহায্য করে এবং এগিয়ে থাকা হিলারির সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে সাহায্য করে তাকে। এছাড়াও রাশিয়ার সহযোগিতা পাওয়া এবং নিজের ব্যবসায়িক উত্তরণের পেছনে ট্রাম্প সেনাবাহিনীর কোনও কোনও জেনারেলের সহযোগিতা পেয়েছেন বলেও ভাবা হয়ে থাকে।যদিও এগুলোর ব্যাপারে এখনও অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি গণমাধ্যমগুলোর পক্ষে।তবে তিনি যে কোনওভাবে সামরিকবাহিনী দ্বারা অনুপ্রাণিত এমন সমালোচনা ধেয়ে আসছে তার চারদিক থেকেই।বিশেষত সরব প্রেতিপক্ষ ডেমোক্র্যাটরা।

মার্কিন ফরেন রিলেশনস কমিটির সদস্য ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস মার্ফি বলেন, আমি উদ্বিগ্ন। এসব সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে অনেক মেধা থাকতে পারে। কিন্তু গত দেড় দশকে আমরা দেখেছি সামরিক দৃষ্টিতে যখনই কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তখনই আমরা বড় বড় ভুল করেছি।

 

ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর প্যাট্রিক লিয়াহাই বলেন, চার বা পাঁচ সাবেক জেনারেলকে যিনি মন্ত্রিসভায় নিচ্ছেন তিনি নিশ্চয় সামরিকবাহিনী দ্বারা অনুপ্রাণিত।

 

ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায় এত জেনারেলের উপস্থিতির আরেকটি কারণ হিসেবে গণমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণ, ধনকুবের ট্রাম্প একরোখা, তাই অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও বিশ্বজুড়ে সমরসংক্রান্ত বিষয়ে চোখা চোখা সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যেতে পারে তাকে। আর এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যুদ্ধের ময়দানে থাকা সামরিক জেনারেলরা বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারেন। কারণ, কর্পোরেট জগতেও বুদ্ধিমত্তা ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের তারিফ করা হয়। ময়দানি জেনারেলদের সঙ্গে এখানে ব্যবসায়ী ট্রাম্পের বুদ্ধিবৃত্তিক ঐক্য দেখতে পাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

 

দেখা গেছে,  ট্রাম্প যাদের মন্ত্রিসভায় নিয়েছেন এবং নেওয়ার জন্য বৈঠক করছেন সেসব সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের বেশিরভাগই গত দেড় দশক যুদ্ধের ময়দানেই ছিলেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। আর তাই সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধ ও অপর সামরিক অভিযানের যে সমালোচনা করেছেন অতীতে, তার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

 

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে ম্যাথিসকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিংবদন্তী মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল জর্জ এস. প্যাটনের মতোই ম্যাথিসকে পছন্দ করেন তিনি। বলেছেন, ম্যাড ডগ কোনও ছলচাতুরি করেন না। তালেবানদের বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ইরাকে ফার্স্ট মেরিন ডিভিশনেরও কমান্ডার ছিলেন। গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর জেনারেল তিনি।

 

তবে ম্যাথিসকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাতে এখনও হিসেব নিকেশ আছে। মার্কিন রীতি অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে ম্যাথিসকে নিয়োগ দিতে অবশ্য মার্কিন কংগ্রেস থেকে কিছুটা ছাড় পেতে হবে ট্রাম্পকে। কারণ আইন অনুসারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ব্যক্তিকে অন্তত সাত বছর বেসামরিক জীবন-যাপন করতে হবে। ম্যাথিস সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান ২০১৩ সালে। ফলে সাত বছরের জায়গায় তিন বছরের বেসামরিক জীবনযাপনের বিষয়টি কংগ্রেস উপেক্ষা করতে না চাইলে ট্রাম্প যতোই ভাবুন, সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। অবশ্য, কংগ্রেসে বরাবরই সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় ট্রাম্প এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

 

ইতিহাস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এর আগের তিন প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি সংখ্যক সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। আরও সাহসী সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আগের প্রেসিডেন্টরা সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের বেসামরিক জীবনে ফিরে আসার রীতিনীতি মেনে চলতেন, ট্রাম্পের ক্ষেত্রে সেখানেও তাড়াহুড়া।

 

এ বিষয়ে ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র রিসার্চার উইলিয়াম এ. গ্যাটসনের মন্তব্য, ব্যবসায়ী হিসেবে ট্রাম্প যেমন আধুনিকতা পছন্দ করেন তেমনি তার প্রশাসনে গতি আনতেও পাল্টে দিচ্ছেন প্রথা রীতি বা গতানুগতিক ধারণা। তিনি গতির পূজারী, তাই গতিশীল নেতৃত্ব আনতেই সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বেছে নিয়েছেন তিনি। অথবা হতে পারে তিনি কর্পোরেট পুঁজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষদের মধ্যে থেকে বেশি ব্যক্তিকে বেছে নিতে পারেন। এই দুই ক্ষেত্র থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণ ঐক্যের জায়গা হলো তারা নেতৃত্ব এবং নির্বাহী সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভিজ্ঞ।

অবশ্য ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের মন্ত্রিসভায় নিয়োগ নিয়ে তেমন কোনও উদ্বেগ নেই।রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ম্যাক থর্নবেরি মনে করেন, শুধু জেনারেলদের দিয়ে তো আর মন্ত্রিসভা করা যায় না। মন্ত্রিসভায় আইনজীবী ও ব্যবসায়ীদেরও তো রাখতে হয়। তিনি জানান, তার কাছে ব্যক্তি মানুষগুলোই গুরুত্বপূর্ণ।

 

তবে ওবামা প্রশাসনে সিনিয়র কাউন্টার টেরোরিজম কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড্যানিয়েল বেনজামিনের ভাষ্য, মন্ত্রিসভার মতো বেসামরিক পদে এতো বেশি জেনারেলদের মনোনয়ন দেওয়া নিশ্চিতভাবেই উদ্বেগ ও আশঙ্কার। তিনি বলেন, জেনারেলরা নিয়ম-শৃঙ্খলা পরায়ণ এবং নির্দেশ বাস্তবায়নেই অভ্যস্ত। জেনারেলদের একগুচ্ছ দক্ষতা রয়েছে কিন্তু এসব দক্ষতার মধ্যে কূটনীতি নেই।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ট্রাম্পের মন্ত্রিসভাকে সামরিক জান্তা হিসেবে আখ্যায়িত করে সমালোচনা চলছে। তবে ট্রাম্পের অন্তবর্তী দলের এক কর্মকর্তা নিজেদের সিদ্ধান্তকে যথার্থ জানিয়ে বলেছেন, মার্কিন জেনারেলরা ভাড়াটে যোদ্ধা নয়। তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে সবচেয়ে বুদ্ধিমান, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও দেশপ্রেমিক মানুষ।

আর মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট অ্যান্ড্রিই বেসেভিখ টাইম ম্যাগাজিনকে বলেন, চার বা পাঁচ জন জেনারেল যে মন্ত্রিসভায় থাকবেন তাকে আমরা আর ট্রাম্প প্রশাসন বলতে পারি না। আমরা তাকে ট্রাম্প জান্তা বলতে পারি। সূত্র: টাইম ম্যাগাজিন, ওয়াশিংটন পোস্ট, বিবিসি, ইয়াহু নিউজ, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

 

ডয়েচেনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটডিই/টিএন/এমআরএফ