শুক্রবার ১৮ অক্টোবর, ২০১৯
deutschenews24.de
Ajker Deal

ধর্ম ও বিপ্লবী রাজনীতি

সফিউর রহমান
প্রকাশিত: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ রবিবার, ০৫:৪৬  এএম

ধর্ম ও বিপ্লবী রাজনীতি

আলাপের শুরুতে বলে রাখা দরকার, ফয়েরবাখ সম্বন্ধে লিখিত থিসিসসমূহে ফয়েরবাখের সমালোচনা করে কার্ল মার্কস বলেন, ফয়েরবাখ এবং তার পূর্ববর্তী দার্শনিকদের প্রধান দোষ হল- তারা মানুষের মানবিক সংবেদন এবং এর ব্যবহারিক দিকটা ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। কার্ল মার্কস ধর্মভাবকে মানবিক সংবেদন এবং সামাজিক সৃষ্টি হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব করছেন, মানবিক চিন্তার বস্তুগত সত্য আছে কিনা তা তত্ত্বগত নয়, বরং ব্যবহারিক।ব্যবহার থেকে বিচ্ছিন্ন চিন্তার বাস্তবতা ও অবাস্তবতা সংক্রান্ত প্রশ্ন নেহাতই পণ্ডিতি কুতর্ক। অর্থাৎ, এটি চেয়ার-টেবিলে বসে, ভার্চুয়াল জগতে, কেবল কেতাব পড়ে ফয়সলার বিষয় নয়। মানব মুক্তির লড়াইয়ের ময়দানে ধর্মভাবকে যেভাবে খারিজ করে দেওয়া হয় তা পণ্ডিতির ‘নোংরা দোকানদারির চেহারা’ নিয়ে হাজির হয়।অনেকেই ভুলে যান যে এটি একটি সামাজিক প্রশ্ন। এমন কেতাবি পণ্ডিতদের ‘নোংরা দোকানদারির চেহারা’ উন্মোচিত করে দেবার কর্তব্যে মার্কস ছিলেন সদা সক্রিয়। ধর্ম বা ধর্মভাব প্রসঙ্গে মার্কসের প্রস্তাবনা অনুসরণ করে এ লেখায় ধর্মের কোন ব্যবহারিক প্রামাণিকতা আছে কিনা তা উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। 

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস যৌথভাবে ‘জর্মন ভাবাদর্শ’ (The German Ideology) একখানি কিতাব লিখেছিলেন। কিতাবটিতে ভাষা ও চৈতন্যের সম্পর্ক এবং প্রায়োগিক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলাপ তুলেছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন যে, “ভাষা চেতনার সমবয়সী, চেতনা ব্যবহার করতে ভাষা লাগে, ব্যবহারিক চেতনা অর্থে ভাষা অপর মানুষের মধ্যেও যা হাজির এবং সে কারণে তা আমার নিজের মধ্যেও বসবাস করে; ভাষা চেতনার মত কেবল চাহিদা থেকে, অপরিহার্যতা থেকে, অপর মানুষের সাথে বিনিময়ের প্রয়োজন থেকে উৎসারিত”। ভাষা ‘অপর মানুষের সাথে বিনিময়ের প্রয়োজন থেকে উৎসারিত’- মার্কস ও এঙ্গেলসের এমন পর্যবেক্ষণ ধর্ম ও দর্শন বিষয়ক চিন্তা বিনিময়ের কাজটিকে সহজ করে দিলো।
আমাদের বাংলা ভাষায় ‘ধর্ম শব্দটি কি কি অর্থ/ভাব ধারণ এবং প্রকাশ করে তার একটা খতিয়ান নেওয়া যাক। উৎস হিসেবে মান্য অভিধানগুলো দেখা যে্তে পারে।বিভিন্ন বাংলা অভিধানে ধর্ম শব্দটি কি কি ভাবার্থ প্রকাশ করেছে তার তালাশ করতে গিয়ে পাওয়া গেলো –
ধর্ম:
• দেশ বিদেশে বা জাতি বিশেষের পাপ-পুণ্যাদি বিষয়ক বিশ্বাস এবং পারলৌকিক পরিত্রাণলাভাদি উদ্দেশ্যে অনুসৃত উপাসনা পদ্ধতি।
• কর্তব্য ও কর্তব্য সমন্ধে জ্ঞান (মানুষের ধর্ম)
• সদাচার, সুনীতি ও আচরণ বিধি
• জীব ও বস্তুর বিভিন্ন গুণ (পদার্থের ধর্ম)।
• মানব ধর্মশাস্ত্র।
• ন্যায়-বিচার-নীতি।
• স্বভাব, ভাব-প্রকৃতি-গুণ
• অসাধারন গুণ।
• মত-তত্ত্ব-জ্ঞান ধর্ম
• শিক্ষা কথা।
• নীতি-চিন্তা-ভাবনা।
• বোধ, বুদ্ধি-প্রকৃতি। (শুভাশুভ বোধ)।
• প্রতিষ্ঠা-স্থাপন-সংস্থাপন।
• সুকৃতি, শুভাদৃষ্ট, পুণ্য।
• রীতি-অহিংসা-সাদৃশ্য।
• যাহা (মনুষ্য) কে ধারন বা পোষণ করে।


শব্দগুলো ধর্মতন্ত্রের বাইরেও মানুষের ইতিবাচক জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভাব ধারণ করছে। এ ভাবগুলো ব্যক্তিস্বার্থপরায়ণ মানসিকতা অতিক্রম করে সামষ্টিক বোধ, সেই সাথে সমগ্র বা জগতের সাপেক্ষে ব্যক্তি অস্তিত্বের সম্পর্কের ধারণা দিচ্ছে।


মানুষ একই সাথে ব্যক্তিক ও সামষ্টিক। “আমি” যা কিছুর দিকেই তাকাই (রাষ্ট্র, সমাজ, ইতিহাস, সংস্কৃতি, শ্রেণি, সম্প্রদায়, জগৎ, সংসার…) সবকিছুই একটি জটিল সমগ্র।কিন্তু সে সমগ্রকে দেখে, তার সঙ্গে সম্পর্কে নেমে, ব্যক্তি মানুষ যে বোধ অর্জন করে তা ব্যক্তিক।তার মানে, প্রতি মুহুর্তে ব্যক্তি মানুষ আর সমগ্রের একটা লেনদেনের সম্পর্ক জারি থাকে। নিতান্ত ব্যক্তিসর্বস্ব মানুষের পক্ষে এই বিপুল লেনদেনের ভার বহন করা অসম্ভব। ব্যক্তি তখন মানুষের বহমান ইতিহাসের কাছে এ লেনদেনের চলমান জীবন্ত প্রবাহে নিজেকে যুক্ত করতে চায়। সেই চলমান প্রবাহের মাঝে অন্যতমটি হলো মানুষের ধর্ম ভাবনা।ধর্মের অর্থ, ভাবার্থ এবং সমার্থক শব্দগুলোকে স্বাক্ষী রেখে বলা যায় যে, চৈতন্যশীল সত্ত্বা হিসেবে মানুষের আবির্ভাব ঘটে যেখানে, তার মাঝে ধর্ম ভাবনার ঘরটিও পড়ে।বিদ্যমান বাস্তব জগতের বাসিন্দা হয়ে মানুষ তার অস্তিত্ব, উৎপত্তি, জগতে করণীয়, মানবজন্মের সার্থকতা ইত্যাদি ভাবনার উৎপাদন এবং বিনিময় করে ধর্ম ভাবনার জমিনে।বাংলার দর্শনে আমরা পরম আর মরমের সম্পর্কের কথা মনে করতে পারি। বাস্তব দুনিয়ার ন্যায়-অন্যায় ভেদ রেখা টেনে মানুষ ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মের নিশান তুলে ধরে এবং ধর্ম বা মনুষ্য স্বভাব হয়ে ওঠে জগতের সাধারণ তত্ত্ব, মানুষের অস্তিত্ব, লড়াই এবং মর্যাদার নিশান।

জুলুমের বিরুদ্ধে মানুষের লড়াই, জয়-পরাজয়, পুনরুত্থানে মানুষের সাথী, মার্কস চিহ্নিত নিপীড়িত মজলুমের ‘আত্মচেতনা ও আত্মসম্মান’। ধর্ম নামক ভাবনার পর্যালোচনা করে কার্ল মার্কস বলেছিলেন, “ধর্মীয় ক্লেশ হল একই বাস্তব ক্লেশের অভিব্যক্তি এবং বাস্তব ক্লেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও।ধর্ম হল নিপীড়িত জীবের দীর্ঘশ্বাস, হৃদয়হীন পরিবেশের হৃদয় ঠিক যেমনটা হলো আত্মাবিহীন পরিবেশের আত্মা।”

বহাল জগতের মাঝে বিরাজমান অন্যায়, বৈষম্য, অমর্যাদা - মানুষ সহ্য করে, কিন্তু মানে না। মানুষ তার ভাবনার মধ্যে এমন এক জগৎ গড়ে তুলতে চায় যেখানে বহাল জগতের অমর্যাদাগুলো অনুপস্থিত।এটা সরাসরি বহাল অন্যায় অবিচারগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া। বহাল জগতের এই অন্যায় অমর্যাদাগুলোকে অতিক্রম করতে হলে মানুষের ভাবনার জগতের এই অসাম্যকে অতিক্রম করার যে ভাব তা সম্যকভাবে (দার্শনিকভাবে) বুঝে নেওয়া জরুরি।তা অস্বীকার বা এড়িয়ে যাবার কোনো সুযোগ নেই।


ধর্ম নিয়ে বোঝাপড়ার বিষয়ে কার্ল মার্কস একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা হাজির করেছিলেন।সেখানে ধর্মকে গ্রহণ বা খারিজ, স্বীকার বা অস্বীকারের আলাপ নাই। ধর্ম একটি বিদ্যমান সামাজিক বাস্তবতা। কিন্তু ধর্ম প্রসঙ্গে মার্কসের প্রস্তাবনার অংশমাত্র উপস্থাপন করে ধর্মকে খারিজ করে দেওয়ার প্রবণতা চারপাশে বিরাজমান।

এই খণ্ডিত উপস্থাপন নিপীড়িত মানুষের বেদনা প্রকাশের বাস্তব প্রক্রিয়াটিকেই অস্বীকার করে ফেলে। ফলে ধর্মকে চিন্তা দিয়ে, চিন্তার মাঝে বিকশিত করার মাধ্যমে ধর্মকে দর্শন করে তোলার যে প্রস্তাবনা কার্ল মার্কস হাজির করেছিলেন তা এই অসচেতন মার্কস অনুসারীদের হাতে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়।

মানুষ সমাজবদ্ধ সত্তা। জাত-পাত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের কল্যাণ এবং মনুষ্য প্রজাতির বৈষয়িক এবং মরমী (spiritual) ভাবের উৎপাদন-বণ্টন, আদান-প্রদানের চর্চা হয় সমাজজীবনে। যেখানে জন্ম হয় সমাজনীতি, সমাজের ন্যায়বোধ, অর্থনীতি, রাজনীতি-রাষ্ট্রভাবনা। সমাজজীবনের বৈষয়িকতার সাথেই থাকে সমাজের ন্যায় ভাবনা। সমাজ এবং রাষ্ট্র সংক্রান্ত ন্যায় ভাবনা সতত ক্রিয়াশীল থাকে মানুষের স্বভাবের মাঝে। এই ক্রিয়াশীলতা সবচেয়ে দৃশ্যমান রূপে উপস্থাপিত হয় ধর্ম ভাবনার মধ্যে।


পাশ্চাত্যে ধর্ম এবং বৈষয়িক (রাষ্ট্র, সমাজ,ইতিহাস, সংস্কৃতি, শ্রেনি, সম্প্রদায়, জগত, সংসার…) জীবন আপাতত হলেও একটি বোঝাপড়ার জায়গা চিহ্নিত করেছে। চিহ্নিত এই বিন্দুটি পাশ্চাত্যের নিজস্ব ঐতিহাসিক লড়াইয়ের যৌক্তিক ফলাফল। সেই ফলাফল পৃথিবীর সর্বত্র সমানভাবে প্রযোজ্য বলে মনে করা সঠিক নাও হতে পারে। এই প্রশ্নটি মোটেও নতুন নয়। এ প্রসঙ্গে উপমহাদেশের খ্যাতিম্যান ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা আবুল হাশিম তাঁর বিখ্যাত ‘ইসলামের মর্মকথা’(The Creed of Islam) কিতাবে বলেন:
"ধর্ম সম্বন্ধে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ধারণার মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ধর্ম প্রাচ্যে জীবনের সর্বক্ষেত্রে ব্যাপ্ত।এটা শুধু ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও ধ্যান-ধারণার ব্যাপার নয়। এটা জীবনের এক অখণ্ড রূপ। আরবি ‘দ্বীন’ এবং ও সংস্কৃত ধর্মকে রিলিজিয়ন বলে তরজমা করে ভুল করা হয়। বস্তুত রিলিজিয়ন, দ্বীন ও ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা নয়, বরং অপব্যাখ্যা। পবিত্র কুরআনে আরবি ‘দ্বীন’কে আল্লাহর ফিতরত বা প্রকৃতি এবং সুন্নাহ বা আল্লাহর আইন বলে বর্ণনা করা হয়েছে। সুতরাং দ্বীন ও ধর্ম বলতে বুঝায় প্রকৃতির নিয়ম সমষ্টি যা দ্বারা বিশ্বের ভাগ্য এবং নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশ্ব এক অখন্ড সত্তা, বিচ্ছিন্ন কতগুলি খন্ডের সমষ্টি নয়। সৃষ্টির প্রত্যেক বস্তু, প্রত্যেক জাতি ও প্রজাতি একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, একে অপরের উপর নির্ভরশীল, কেউই সম্পুর্ণ স্বাধীন নয়। তবুও সৃষ্টির প্রত্যেক বস্তু বিশেষ বিশেষ সূত্রাবলি বা নিয়ম-কানুন দ্বারা শাসিত হয়। এই সূত্রাবলী বা নিয়ম-কানুনের প্রতিটিই এক একটি বিজ্ঞান। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে, যে বিশেষ সূত্রাবলীর দ্বারা সূর্য, চন্দ্র ও তারকারাজির গতি পরিচালিত হয়, সেটাকে জ্যোতি্ষশাস্ত্র বলা হয়। জীববিজ্ঞান জীবন নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে বিজ্ঞান ভূ-ত্বক নিয়ে আলোচনা করে সেটাকে বলা হয় ভূতত্ত্ব। দ্বীন বা ধর্ম কতকগুলো উপদেশ বাক্য নয়, আচার অনুষ্ঠান কিংবা ধর্মতত্বও নয়।”

এখানে বিশেষভাবে আমলে রাখা দরকার, দ্বীন বা ধর্মের অনেকগুলো ব্যাখ্যা আছে। যার মূল কথা হচ্ছে মানুষের স্বভাব। মানব জাতির অস্তিত্বের জন্য যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রযোজ্য।

প্রাচ্যে ধর্ম ভাবনা পাশ্চাত্য হতে ভিন্ন। এই ভিন্নতার বিষয়টি কার্ল মার্কস বহু আগেই ইশারা করে গেছেন। ১৮৫৩ সালের ২ জুন লন্ডন থেকে কার্ল মার্কস তাঁর সহযোদ্ধা ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসকে লেখা চিঠিতে প্রশ্ন তুলেছিলেন, “প্রাচ্য ইতিহাসটা বিভিন্ন ধর্মের ইতিহাস বলে প্রতীয়মান হয় কেন?” প্রাচ্যের ধর্ম প্রসঙ্গে কার্ল মার্কসের ইশারাটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে অনুধাবন করা কখনই হয়ে ওঠেনি। প্রাচ্যের মানব চৈতন্যের ইতিহাস ধর্মের ইতিহাস রূপে বিরাজিত রয়েছে। ফলে ধর্ম শুধুমাত্র টেবিলে বসে কিতাব হাতড়ে কোনো ব্যক্তির স্বীকার বা অস্বীকার করার বিষয় নয়। তাই প্রাচ্যের ইতিহাস রূপান্তরের কাজ এই সুনির্দিষ্ট ইতিহাস বোধকে খারিজ করে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। প্রাচ্যের ইতিহাস বোধের চেহারা কেন এ রকম তা অনুসন্ধানে ব্যপ্ত হওয়া মার্কস অনুসারীদের জরুরি রাজনৈতিক কর্তব্য।

পাঠসূত্র এবং টোকাটুকি :
১)বঙ্গীয় শব্দকোষ: হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক : সাহিত্য অকাদেমি,কলকাতা।
২)সরল বাঙ্গালা অভিধান, সুবলচন্দ্র মিত্র।প্রকাশক : নিউ বেঙ্গল প্রেস প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা।
৩)বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি, ঢাকা।
৪)যথাশব্দ (বাংলা ভাষার প্রথম ভাব অভিধান) : সংকলক: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান। প্রকাশক : ইউপিএল, ঢাকা।
৫)Theses on Feuerbach by Karl Marx
৬) Marx’s Critique of Hegel`s Philosophy of Right (1843)
৭)Critique of Hegel’s Philosophy in General by Karl Marx
৮)আল্লামা আবুল হাশিম লিখিত The Creed of Islam এর অনুবাদ "ইসলামের মর্মকথা" রক্কু শাহ ক্রিয়েটিভ পাকলিশার্স, ৪৫, বাংলা বাজার, ঢাকা - ১১০০।
৯)ইমান ও নিশান : গৌতম ভদ্র। প্রকাশক : সুবর্ণরেখা, কলকাতা।
১০)জর্মান ভাবাদর্শ : কার্ল মার্কস - ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস। অনুবাদ : গৌতম দাস। প্রকাশক : আগামী প্রকাশনী, ঢাকা।
১১)ইকোনমিক এন্ড ফিলোজফিক ম্যানুস্ক্রিপট ১৮৪৪: কার্ল মার্কস। অনুবাদ : জাভেদ হুসেন। প্রকাশক: বাঙলায়ন, ঢাকা।
১২. ধর্ম প্রসঙ্গে : কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস; প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, ১৯৮১।
১৩)The Marxists Internet Archive (MIA, http://www.marxists.org/)

 

সফিউর রহমান: অ্যাক্টিভিস্ট ও গবেষক